শিরোনাম
ষ্টাফ রিপোর্টার : | ১২:১৯ এএম, ২০২৬-০৯-২০
হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা জাগলার চরে বন বিভাগের জমি দখল, বনাঞ্চল উজাড়, সরকারি জমি বেচাকেনা এবং প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের নোয়াখালী আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার বিকেলে জাগলার চর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন—হাতিয়া উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের উত্তর শূল্যকিয়া এলাকার মৃত আবুল খায়েরের ছেলে মো. এনায়েত হোসেন ওরফে এনায়েত খলিফা (৫৬) এবং চরকিং ইউনিয়নের কলাপাড়া এলাকার মৃত খবির উদ্দিনের ছেলে মো. রুবেল (৩০)।
বনভূমির ‘দাগ’ বিক্রির অভিযোগ
পুলিশ ও বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হাতিয়া থানার সুখচর সংলগ্ন মেঘনা নদীর বুকে সম্প্রতি জেগে ওঠা জাগলার চরে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট-সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি অবৈধভাবে অবস্থান নেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা বন বিভাগের জমিতে গাছপালা উজাড় করে জায়গা দখলের পাশাপাশি ভূমিহীন ও অসহায় মানুষকে ওই চরে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার আশ্বাস দেন।
কথিত এজেন্টদের মাধ্যমে বন বিভাগের জমির ‘দাগ’ বিক্রির কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। সরকারি বনভূমি ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি বা দখল করার কোনো বৈধ সুযোগ না থাকায় এভাবে টাকা দিয়ে সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা।
বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা, অপরাধজনক বল প্রয়োগ, আক্রমণের চেষ্টা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
পরে বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রায় ২০ জনকে আসামি করে হাতিয়া থানায় মামলা করা হয়।
টাকা দিয়ে বিপাকে ভূমিহীনরা
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদীর বুকে নতুন চর জেগে ওঠার পর থেকেই সেখানে জমি দখল ও জমি নিয়ে নানা ধরনের তৎপরতা শুরু হয়। বিশেষ করে ভূমিহীন ও দরিদ্র মানুষের একটি অংশ জমি পাওয়ার আশায় বিভিন্ন ব্যক্তির কথায় টাকা দিয়েছেন। বিষয়টি যাচাই না করে টাকা দেওয়ায় অনেকে এখন বিপাকে পড়েছেন।
পুলিশের বক্তব্য
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, সরকারি জমি দখল, সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা, হুমকি এবং প্রতারণার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের পাশাপাশি তদন্তে আরও কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সতর্ক থাকার পরামর্শ ইউএনওর
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে জমি দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার শিকার না হন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
কোনো ব্যক্তি বা চক্র সরকারি কিংবা বন বিভাগের জমি ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি বা বন্দোবস্ত দেওয়ার কথা বলে টাকা চাইলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।
নিজস্ব প্রতিবেদক : নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় কেক কাটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা ও প্রস্তুà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক | হাতিয়া চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাজী মুহম্মদ মহসিন সরকাà...বিস্তারিত
ষ্টাফ রিপোর্টার : : হাতিয়া প্রতিনিধি: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র প্রদর্শন করে রিলস ...বিস্তারিত
ষ্টাফ রিপোর্টার : : হাতিয়া প্রতিনিধি: ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : হাতিয়া প্রতিনিধি: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয়বারের মতো একাধিà¦...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Daily Hatiya Times | Developed By Biplab Uddin